আসানসোল :- বিরোধী দলের নেতা এবং পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীরির উপর হামলার বিরুদ্ধে রাজ্য জুড়ে বিক্ষোভ চলছে। সোমবার, হাওরার বেলঘারিয়ায় তার উপর হামলার পরে বিজেপি কর্মীরা ফেটে পড়েছিল।এই ঘটনার বিষয়ে রাজ্য জুড়ে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে আসানসোলকেও বিক্ষোভের প্রধান স্থানগুলিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
বিজেপি শ্রমিকরা বিএনআর টার্ন অফ অ্যাসানসোল সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। বিক্ষোভকারীরা প্রায় ৩০ মিনিটের জন্য বিএনআর ব্রিজটি অবরুদ্ধ করেছিল, যা ট্র্যাফিক ব্যাবস্থাকে পুরোপুরি ব্যাহত করেছিল। বিক্ষোভের নেতৃত্বে ছিলেন আসানসোল দক্ষিণ বিধায়িকা তথা বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। বিক্ষোভকারীরা রাজ্য সরকার ও পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন।এদিন আগ্নিমিত্র পল জানান আমাদের সন্মানীয় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আজকে হাওড়াতে গেছিলেন এবং সেখানে যে ধস নেমে প্রচুর মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে সেখানে জল নেয় বহু মানুষ
খুব কষ্টে রয়েছে। কিন্তু উনি যাবার সাথে সাথে পুলিশ আটকালেন অথচ উনি যাওয়ার কিছুক্ষন আগে ফিরাদ হাকিম সেখানে গেলেন তাকে আটকানো হলনা ।অথচ বিরোধী দলনেতাকে শুধু আটকানো হলনা তাকে রীতিমত হাকেল করা হল তার হাত খামচে রক্ত বেরকরে দেওয়া হল ।এটা করা করল মমতা ব্যানার্জির পুলিশ এরকম হবে কেন?
যেখানে বিরোধীরা যাবে আজ বারুইপুর বলুন আর হাওড়া বলুন সেখানেই তৃণমূলের ক্যাডারকে দিয়ে আক্রমণ করা কালো পতাকা দেখানো। অসভ্য ভাষায় গালাগাল দেওয়া লঙ্কা জল ছুঁড়ে মারা,লাঠি দিয়ে গাড়িকে আক্রমণ করা, এরকম কেন হবে।এতে বোঝা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে কেউ সুরক্ষিত নেই।এবং এই পুষ্টিকরণের রাজনীতি করতে করতে আজকে যারা জল পাচ্ছিলনা তারা মুখ্যমন্ত্রী দুধের গায়ের ক্যাটাগরিতে পড়ে না তার জন্য তাদের তারা জল পাচ্ছে না বাড়ি ভেঙে গেছে মুখ্যমন্ত্রীর কোন ভ্রুক্ষেপ নেই ।তাই আজকে এই বিরোধীদের উপর আক্রমণ এর বিরুদ্ধে। আমাদের বারবার মুখ বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বিধানসভার ভেতরে বলুন বিধানসভার বাইরে বলুন আমরা কিন্তু এগুলো মানবো না। তাই হঠাৎ করে আসানসোল মানুষের অসুবিধা করেই আজকে এই অবরোধ করতে বাধ্য হলাম। শুধুমাত্র এই প্রতিরোধ মানুষ সাধারণ মানুষকে জানানোর জন্য যে আমরা থেমে নেই এবং তৃণমূলের ভয়ে আমরা কোনদিন মাথা নত করবো না ।
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীরির উপর হামলার বিরুদ্ধে আসানসোলে বিক্ষোভ মিছিল
