সংবাদদাতা দুর্গাপুর: নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মতো দুর্গাপুরেও রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়াতে শুরু করে। একাধিক জায়গায় ক্লাব ও শাসকদলের দলীয় কার্যালয় দখলের অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। যদিও বিজেপির দাবি, এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে দলের পুরনো কর্মীদের কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁদের বক্তব্য, কিছু সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি রাতারাতি গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়ে এলাকায় অশান্তির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে।

এই আবহেই দুর্গাপুরের চন্ডীদাস এলাকায় সামনে এল এক ভিন্ন ছবি। অভিযোগ ওঠে, চন্ডীদাস হেল্থ সেন্টার সংলগ্ন দেশবন্ধু বয়েজ ক্লাবটি দখল হয়ে গিয়েছে। খবর প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় তৎপর হয় বিজেপি নেতৃত্ব। স্থানীয়ভাবে মাইকিং করে জানানো হয়, কোনওরকম দখলদারি বা অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না।এরপর বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে এলাকায় পৌঁছন স্থানীয় নেতৃত্ব। ক্লাবের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে দেশবন্ধু বয়েজ ক্লাবটি পুনরায় ক্লাব সদস্য ও কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় স্বস্তির আবহ তৈরি হয়।
এ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা পারিজাত গাঙ্গুলী বলেন, “কোথাও কোনও অশান্তি হোক, আমরা চাই না। ক্লাবটি দখল হওয়ার খবর পেয়েই এখানে এসেছি। যারা এই ক্লাবের সদস্য, তাঁদের হাতেই ক্লাব ফিরিয়ে দেওয়া হল।”ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও চন্ডীদাসের এই ঘটনা এলাকায় শান্তি ও সহাবস্থানের বার্তা দিল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। উত্তেজনার আবহে দখল নয়, বরং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার প্রচেষ্টাকেই গুরুত্ব দিতে দেখা গেল স্থানীয় নেতৃত্বকে।
