সংবাদদাতা,দুর্গাপুরঃ প্রতিনিয়ত হাজার হাজার মানুষ রেলে যাতায়াত করেন। তাই তারাই পরিষেবা নিয়ে কি সমস্যা এবং আর কি দরকার,সেটা ভালো বলতে পারবেন। বর্তমানে তরুন প্রজন্মের প্রচুর ছেলেমেয়ে নানা কাজের জন্য রেলে যাত্রা করেন। তাদেরও কিছু বক্তব্য রয়েছে। রেলকর্তারা তাই এই যাত্রীদের কথাকেই গুরুত্ব দিতে চান। যাত্রীদের প্রয়োজনের সময় সংশ্লিষ্ট রুটে ট্রেনের পরিষেবা পাওয়া যাচ্ছে কি না,কিংবা একটি ট্রেন থেকে নেমে অন্য গন্তব্যে যাওয়ার সংযোগকারী ট্রেন ধরতে কোনও অসুবিধা হচ্ছে কি না, এসব বিষয়ে খতিয়ে দেখার লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার দুর্গাপুর স্টেশনে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন রেল আধিকারিক দেবব্রত চ্যাটার্জি। যাত্রীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী রেল পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে কি না,তা জানতে সরাসরি তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন রেল কর্তৃপক্ষ।

বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের যাত্রীদের অভিজ্ঞতা,সমস্যা ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে পরিষেবার মান উন্নত করার লক্ষ্যে দুর্গাপুর রেল স্টেশনে এই কর্মসূচি হয়। যাত্রীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত মতামতের ভিত্তিতে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার কথা জানিয়েছেন রেল আধিকারিক দেবব্রত চ্যাটার্জি। এই কর্মসূচিতে যাত্রীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনার পাশাপাশি ট্রেনের সময়সূচি এবং সংযোগকারী ট্রেনের পরিষেবা নিয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। জানা গেছে,দুর্গাপুরের পাশাপাশি আসানসোলের মতো স্টেশনেও সংযোগকারী ট্রেন নিয়ে যাত্রীদের সমস্যার কথা সামনে আসে। অনেক সময় একটি ট্রেন পৌঁছনোর সঙ্গে পরবর্তী সংযোগকারী ট্রেনের সময়ের সামান্য ব্যবধানও যাত্রীদের অসুবিধার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সময়সূচিতে মাত্র ১৫ মিনিটের পরিবর্তন হলে যাত্রীদের সুবিধা হতে পারে,এমন বিষয়ও তাঁদের আলোচনায় উঠে আসছে। এই ধরনের ছোটখাটো সমস্যাগুলি অনেক সময় নজর এড়িয়ে যায়। তাই যাত্রীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাঁদের প্রকৃত অসুবিধাগুলি বোঝার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান রেল আধিকারিক। এবার বিষয়গুলি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান রেলকর্তারা।
