সংবাদদাতা ,দুর্গাপুর : দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, দুর্গাপুরের ট্রাঙ্ক রোড এলাকায় একাধিক মোটর পার্টসের দোকানে অবৈধভাবে পরিবর্তিত বা মডিফায়েড সাইলেন্সার পাইপ বিক্রি হচ্ছে।
অবশেষে শুক্রবার দুর্গাপুর ট্রাফিক গার্ড ও সাব-ট্রাফিক গার্ডের যৌথ উদ্যোগে ট্যাঙ্ক রোডের দোকানগুলিতে হঠাৎ অভিযান চালানো হয়। পুলিশ দোকানগুলির গোডাউন, মজুত সামগ্রী এবং বিক্রির জন্য রাখা সাইলেন্সার পাইপের বৈধ কাগজপত্র খতিয়ে দেখে।এখন প্রশ্ন উঠছে যে অভিযোগ এতদিন ধরে ছিল, তা কি প্রশাসনের কানে পৌঁছয়নি? যদি পৌঁছে থাকে, তবে আগে ব্যবস্থা নেওয়া হল না কেন? শহরের রাস্তায় রাতভর শব্দদূষণের যে অভিযোগ সাধারণ মানুষ করে আসছিলেন, তার জবাবদিহি কে করবেন?বেআইনি মডিফায়েড সাইলেন্সারের দাপটে যখন অসুস্থ বৃদ্ধ থেকে শুরু করে শিশুরা অতিষ্ঠ, তখন কি আরও কঠোর ও ধারাবাহিক নজরদারি প্রয়োজন নয়?

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ ও বেআইনি সাইলেন্সার পরিবর্তনের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিতেই এই অভিযান। দোকান মালিকদের আইন মেনে ব্যবসা চালানোর জন্য সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের বেআইনি সামগ্রী বিক্রি ধরা পড়লে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফ থেকে।এখন বড় প্রশ্ন দুর্গাপুর কি সত্যিই শব্দসন্ত্রাসমুক্ত হবে? নাকি অভিযানের কয়েকদিন পরেই সব আবার আগের মতো চলবে? প্রশাসনের ধারাবাহিক কড়া পদক্ষেপ এবং নাগরিক সচেতনতাই পারে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান আনতে।
