সংবাদদাতা দুর্গাপুর : দুর্গাপুরের ট্রাঙ্ক রোড এলাকায় অনুষ্ঠানবাড়ির সাজসজ্জার সামগ্রীর একটি গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা সামনে এসেছে। শুক্রবার হঠাৎই আগুনের লেলিহান শিখা গোটা এলাকা জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, গোডাউনের পিছনে জমে থাকা কাগজ, প্লাস্টিক ও অন্যান্য দাহ্য আবর্জনা থেকেই আগুনের সূত্রপাত। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন গোডাউনের ভেতরে ছড়িয়ে পড়ে। কাপড়ের সাজসজ্জা, লাইটিংয়ের তার, বাঁশের কাঠামো সবকিছু একে একে আগুনের গ্রাসে চলে যায়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের একটি ইঞ্জিন। দমকলকর্মীদের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। স্থানীয় বাসিন্দারাও আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান, ফলে পাশের দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়ার মতো বিপদ এড়ানো যায়।দমকলের প্রাথমিক অনুমান, অসাবধানতাবশত জমে থাকা আবর্জনায় আগুন লাগা থেকেই এই দুর্ঘটনা। তবে প্রশ্ন উঠছে, এত দাহ্য সামগ্রী মজুত থাকা সত্ত্বেও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল কি? নিয়মিত সাফাই বা নজরদারির অভাব কি এই ক্ষতির কারণ?

এ ধরনের গোডাউন এলাকায় অগ্নি-নিরাপত্তা বিধি কতটা মানা হচ্ছে, তা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছে। প্রশাসনিক পর্যবেক্ষণ কি যথেষ্ট ছিল? নাকি অবহেলার ফলেই এই বিপর্যয়?গোডাউন মালিক চিরঞ্জিত শিকদারের দাবি,এখন প্রশ্ন একটাই এই অগ্নিকাণ্ড থেকে কি শিক্ষা নেওয়া হবে? নাকি তদন্তের ফাইলেই সীমাবদ্ধ থাকবে সতর্কবার্তা? দুর্গাপুরের মতো ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকায় অগ্নি-নিরাপত্তা নিয়ে প্রশাসন ও ব্যবসায়ীদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা এখন সময়ের দাবি।
