সংবাদদাতা দুর্গাপুর : বিধানসভা নির্বাচনের পারদ ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী। শিল্পাঞ্চলের আকাশে-বাতাসে এখন শুধুই নির্বাচনী সুর। বুধবার দুর্গাপুর মহকুমা শাসক দপ্তরে পাণ্ডবেশ্বর কেন্দ্রের মনোনয়ন জমাকে ঘিরে উঠে এল দুই ভিন্ন রাজনৈতিক কৌশলের ছবি একদিকে জনারণ্যের জোয়ার, অন্যদিকে সীমিত পরিসরের প্রতীকী আচার। এদিন সিধু-কানু স্টেডিয়াম চত্বর কার্যত জনসমুদ্রে পরিণত হয়। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী হাজার হাজার কর্মী-সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার সূচনা করেন। ঢাক-ঢোল, সবুজ আবির, পতাকা আর ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে এলাকা। হুডখোলা জিপে চড়ে জনতার উদ্দেশে হাত নাড়তে নাড়তে এগিয়ে চলেন তিনি। এই বিশাল শোভাযাত্রা মহকুমা শাসক দপ্তরে পৌঁছে শেষ হয়, যেখানে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মনোনয়ন জমা দেন প্রার্থী।

নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর বক্তব্য, “এই বিপুল জনসমর্থনই প্রমাণ করছে মানুষ আমাদের সঙ্গেই রয়েছে। শুধু পাণ্ডবেশ্বর নয়, গোটা পশ্চিম বর্ধমানেই তৃণমূলের জয় হবে।” প্রতিদ্বন্দ্বীর ‘মৎস্য যাত্রা’ প্রসঙ্গে তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “মানুষের নজরে আসতেই এই নাটকীয়তা।”অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী জিতেন্দ্রনাথ তিওয়ারি দিনটি শুরু করেন মৎস্য পূজোর মাধ্যমে। হাতে মাছ নিয়ে অল্প কয়েকজন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে নীরবে মনোনয়ন জমা দেন তিনি। তাঁর দাবি, “শাস্ত্র মেনে শুভ কাজ করেছি, মানুষের আশীর্বাদই আসল ভরসা।”

পাণ্ডবেশ্বরের এই দুই চিত্রে স্পষ্ট, একদিকে সংগঠিত জনসমর্থনের জোর, অন্যদিকে প্রতীকী উপস্থিতি।
জনসমর্থনের জোয়ারেই এগিয়ে থাকার ইঙ্গিত স্পষ্ট, এমনটাই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।
