আবারও বিতর্কের কেন্দ্রে আইকিউ সিটি,

সংবাদদাতা দুর্গাপুর : আবারও খবরের শিরোনামে আই কিউ সিটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল শনিবার রাতে আই কিউ সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হোস্টেল থেকে এক ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শিল্পাঞ্চল জুড়ে।
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত ছাত্রের নাম লাবণ্য প্রতাপ (২২)। বিহারের পাটনার বাসিন্দা। শনিবার রাতেই ঘটনাটি সকলের নজরে আসে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দুর্গাপুর থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। বর্তমানে দেহটি আইকিউ সিটি হাসপাতালেই রাখা রয়েছে বলে জানা গেছে।প্রাথমিকভাবে এটি অস্বাভাবিক মৃত্যু বলেই মনে করা হলেও, ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সহপাঠী ও হোস্টেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলছেন তদন্তকারীরা। ছাত্রটি মানসিক চাপে ছিলেন, নাকি এর পেছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ঘটনাকে ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে কলেজের হোস্টেল নিরাপত্তা, নজরদারি ব্যবস্থা এবং পড়ুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত পরিকাঠামো নিয়ে। একটি বেসরকারি মেডিকেল প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের ঘটনা কতটা উদ্বেগজনক, তা নিয়ে শিক্ষামহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, গত বছর এই একই প্রতিষ্ঠানে এক মেডিকেল ছাত্রীর ধর্ষণ-কাণ্ড ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল। সে সময় প্রশাসনিক ভূমিকা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং দায়বদ্ধতা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন উঠেছিল। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বিষয়টি নিয়ে সরব হয়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু স্বাভাবিকভাবেই নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে এনে দিয়েছে আইকিউ সিটিকে।তবে প্রশ্ন থেকেই যায় পরপর বিতর্কিত ঘটনা কি কেবলই কাকতালীয়? হোস্টেলে পর্যাপ্ত নজরদারি ছিল কি?
গত বছরের তোলপাড়ের পর কি সত্যিই শিক্ষা নিয়েছিল প্রশাসন? নাকি আবারও কোনও ঘটনার পরেই সীমাবদ্ধ থাকবে আশ্বাস ও তদন্তের ঘোষণায়? এই মৃত্যু কি শুধুই ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি, নাকি একটি বড় কাঠামোগত সমস্যার ইঙ্গিত?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *