বিজয় মিছিল নয়, পায়ে হেঁটে কৃতজ্ঞতা যাত্রা: চণ্ডীদাস বাজারে মানুষের দরবারে বিধায়ক চন্দ্রশেখর

নিজস্ব সংবাদদাতা:-দুর্গাপুর পূর্ব বিধানসভা থেকে জয়ের পর রবিবার চণ্ডীদাস বাজারে মানুষের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাতে পৌঁছে গেলেন নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। ডিজে -বাজনা বা বিজয় মিছিল নয়, মাত্র কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে পায়ে হেঁটে বাজারের দোকানে দোকানে ঘুরে মানুষের সঙ্গে কথা বললেন তিনি। এদিন চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দুর্গাপুরে আমরা চাই সংস্কৃতিশীল মানুষ। ভোট নিতে যখন বাড়ি বাড়ি গেছি, মানুষ আমাকে আশীর্বাদ করেছেন। তাই আবার পায়ে হেঁটে মানুষের কাছে যাচ্ছি কৃতজ্ঞতা জানাতে। আমি কোনও বিজয় মিছিলে অংশগ্রহণ করিনি।


তিনি আরও যোগ করেন, “আমি বলেছিলাম ৪ ঠা মে-র পর যে মানুষ আমাকে জিতিয়েছে, তাঁদের কৃতজ্ঞতা জানাব। তাতে যদি আমার সাথে ৫ জন থাকে, তাঁদের নিয়েই যাব। আমার ভিড় প্রয়োজন নেই। ডিজে বাজিয়ে মিছিল করে আমি যাব না। আবারও মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে, মানুষের মতামত নিয়ে মানুষের কাজ করব।”চণ্ডীদাস বাজারের সমস্যা সমাধানকেই প্রথম অগ্রাধিকার দিচ্ছেন বিধায়ক। তিনি জানান, “সর্বপ্রথম চণ্ডীদাস এলাকায় বাজারের সমস্যার সমাধান করা হবে। এখানে পার্কিং প্লাজা করা হবে, মহিলাদের জন্য শৌচালয়ের ব্যবস্থা করা হবে। বাজারে বিদ্যুৎ ও জলের সমস্যা আছে, ব্যবসাদারদের সঙ্গে আলোচনা করে সমবায়ের নির্বাচন করাব।”পাশাপাশি, দীর্ঘদিনের কোয়ার্টার সমস্যা নিয়েও মুখ খোলেন তিনি। চন্দ্রশেখর বাবুর দাবি, “কোয়ার্টারের সমস্যা আমি ভোটের আগেই সমাধান করেছি।‌ এমসিসি ছিল বলে বলিনি। আমি ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী মোদীজিকে চিঠি দিয়েছি, তাঁরা স্টেপ নিয়েছেন। যাঁদের কোয়ার্টার আছে, আমরা তাঁদের লাইসেন্স তুলে দেব। কোনও মানুষ অসুবিধায় থাকবে না।”সংস্কৃতিশীল’ রাজনীতির বার্তা জয়ের পর ডিজে বাজিয়ে বিজয় মিছিলের সংস্কৃতি ভেঙে পায়ে হেঁটে কৃতজ্ঞতা জানানোর এই উদ্যোগকে ‘সংস্কৃতিশীল রাজনীতি’র বার্তা হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল। বাজারের ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ ক্রেতা – সকলের সঙ্গেই খোলামেলা কথা বলেন বিধায়ক। দুর্গাপুর পূর্বের মানুষের সমস্যা সমাধান ও উন্নয়নই যে তাঁর প্রধান লক্ষ্য, এদিন চণ্ডীদাস বাজার থেকে সেই বার্তাই দিলেন চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *